কাদের সিদ্দিকীকে ধিক্কার (ভিডিও)
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৪-০২-২০১৩
বাংলা খবর প্রকাশিত হচ্ছে Bangla joker থেকে ।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী
কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর কঠোর সমালোচনা করলেন তারই বড় ভাই পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। আজ রোববার জাতীয় সংসদে আলোচনাকালে তিনি এ সমালোচনা করেন।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি এখন যে কথাটি বলব সেটি কে কীভাবে নেবেন, তা আমি জানি না। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা ও ব্যর্থতার কথা আমি বলব।’
কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ করে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘একজন স্বাধীনতাযোদ্ধা বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর চতুর্থ সন্তান। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে তিনি লড়বেন। তিনি জীবিত আছেন। দিগন্ত টেলিভিশন এবং “নয়াদিগন্ত” পত্রিকায় লেখালেখির কারণে দেশবাসী তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে। আর নবপ্রজন্ম যখন তাঁকে ‘নব্য রাজাকার’ বলেছে, তখন তিনি বেসামাল হয়েছে গেছেন।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক জনসভায় কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘তিন বছর আগেও আমাকে রাজাকার আখ্যায়িত করা হয়েছিল। আমি (কাদের সিদ্দিকী) যদি রাজাকার হয়ে থাকি, তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজাকারদের কমান্ডার।’ কাদের সিদ্দিকীর এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘ধিক তোমাকে। ধিক তোমার এই ঔদ্ধত্যকে।’ এ সময় উপস্থিত সাংসদরা ‘শেম শেম’ বলে টেবিল চাপড়ান।
লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আজকে, এই সংসদে দাঁড়িয়ে আমি ঘোষণা দিচ্ছি, একাত্তরে তুমি (কাদের সিদ্দিকী) যে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলে, সেটা ছিল সশস্ত্র যুদ্ধ, জীবন রক্ষার যুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করো নাই। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে তুমি যে অস্ত্রধারণ করেছিলে, সেই অস্ত্র বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধের জন্য নয়। প্রতিশোধের নামে তুমি তোমার জীবন রক্ষা করতে গিয়েছিলে। তোমাকে ধিক্কার।’ এরপর কাদের সিদ্দিকীকে নিয়ে তিনি একটি ছড়া পড়ে শোনান।
সৌজন্যে: সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি এখন যে কথাটি বলব সেটি কে কীভাবে নেবেন, তা আমি জানি না। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা ও ব্যর্থতার কথা আমি বলব।’
কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ করে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘একজন স্বাধীনতাযোদ্ধা বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর চতুর্থ সন্তান। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে তিনি লড়বেন। তিনি জীবিত আছেন। দিগন্ত টেলিভিশন এবং “নয়াদিগন্ত” পত্রিকায় লেখালেখির কারণে দেশবাসী তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে। আর নবপ্রজন্ম যখন তাঁকে ‘নব্য রাজাকার’ বলেছে, তখন তিনি বেসামাল হয়েছে গেছেন।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক জনসভায় কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘তিন বছর আগেও আমাকে রাজাকার আখ্যায়িত করা হয়েছিল। আমি (কাদের সিদ্দিকী) যদি রাজাকার হয়ে থাকি, তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজাকারদের কমান্ডার।’ কাদের সিদ্দিকীর এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘ধিক তোমাকে। ধিক তোমার এই ঔদ্ধত্যকে।’ এ সময় উপস্থিত সাংসদরা ‘শেম শেম’ বলে টেবিল চাপড়ান।
লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আজকে, এই সংসদে দাঁড়িয়ে আমি ঘোষণা দিচ্ছি, একাত্তরে তুমি (কাদের সিদ্দিকী) যে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলে, সেটা ছিল সশস্ত্র যুদ্ধ, জীবন রক্ষার যুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করো নাই। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে তুমি যে অস্ত্রধারণ করেছিলে, সেই অস্ত্র বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধের জন্য নয়। প্রতিশোধের নামে তুমি তোমার জীবন রক্ষা করতে গিয়েছিলে। তোমাকে ধিক্কার।’ এরপর কাদের সিদ্দিকীকে নিয়ে তিনি একটি ছড়া পড়ে শোনান।
সৌজন্যে: সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন








0 comments:
Post a Comment